চন্দননগরের গপ্পো

ভারতবর্ষের প্রথম লিজিয়ান দো অনার দুর্গাচন রক্ষীদের নামে রক্ষিত স্কুল, বীর বিপ্লবী শহীদ কানাইলালের নামে কানাইলাল স্কুল, মেয়েদের কৃষ্ণভাবনী স্কুল এই কর্পোরেশন স্কুল গুলোর যে পড়াশোনার চর্চা, যে মেধার চর্চা হতো তার গুরুত্ব দিনের পর দিন কমছে। যেহেতু সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার গোটাটাই বেহাল দশায় এবং তার প্রভাব এখানেও এসে পৌঁছেছে।

এক সময় চন্দন কাঠের প্রাচুর্যের ভিত্তিতে , আবার এটাও শোনা যায় শহরের পাশে হুগলি নদীর বাঁক যেহেতু চাঁদের মতো সেই হিসেবে এই শহরের নামটা হয়েছে চন্দননগর।

চন্দননগর বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে মূলত কলোনিয়াল সময়ে, ফরাসিরা বোড়, খলিসানি আর গোন্দলপাড়া এই তিনটে গ্রামকে একত্রিত করে এই শহরটি গড়ে তোলে। হুগলি নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে প্রথম ডিরেক্টর দেশল্যান্ড প্রায় ৪০ হাজার টাকা দিয়ে মুঘলদের কাছ থেকে জায়গাটা কেনে। প্রথম জায়গা কেনে ফ্রান্সিস ডুপ্লে এবং ১৭৩০ নাগাদ তিনি গভর্নর হন। এই সময় প্রায় দুই হাজারের বেশি ইটের পাকা বাড়ি নির্মাণ হয় এবং কলকাতা সেই সময়ে চন্দননগরের থেকে সমস্ত দিক থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ছিল। ইউরোপিয়ান কমার্সের প্রধান হাব ছিল চন্দননগর ।ওপিয়াম ও ইন্দিগো, সুগার ,রাইস, সিল্ক, দড়ি এবং খুব ভাল বস্ত্র সেই সময়ে রপ্তানি হতো চন্দননগর থেকে ইউরোপে। ‘ ইন্দ্র নারায়ণ চৌধুরীর ইতিহাস’ চন্দননগরের একটা মূল্যবান নথি। ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সেই সময়ে চন্দননগরের অন্যতম বড়লোক জমিদার ব্যক্তির নাম। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নন্দদুলাল মন্দির, যেখানে তাঁর কিছু সম্পদ লুকানো ছিল এবং তা পরে রবার্ট ক্লাইভ বাজেয়াপ্ত করেন। এরপর ১৭৫৬ সালে ব্যাটেল অফ চন্দননগরে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি চন্দননগর দখলের জন্য উদ্যোগ নেয়। তারপর (Treaty of paris) আবার ১৭৬৩ সালে সেটা ফরাসিদের অধীনে চলে যায়। পরে নেপোলিয়নিক যুদ্ধের সময় সেটা আবারও ব্রিটিশদের হাতে যায় এবং শেষে ১৮১৬ সালে সেটা আবার ফরাসি কলোনি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। এটা অবস্থানগত এবং কিছুটা আক্রমণের মুখে পড়া ইতিহাস এর বিবরণ। চন্দননগরকে আমরা মূলত চিনি জগধাত্রী পুজো. সূর্য মোদকের সন্দেশ, আলোর শহর, কম বয়সীদের প্রেমের আবেগ, শিক্ষা -সংস্কৃতিকে জড়িয়ে ধরে বেঁচে থাকা মানুষের শহর হিসাবে। আবার খুব সাজানো-গোছানো পরিকল্পিত একটা শান্তি প্রিয় শহরের আদলে অথবা ক্রীড়া জেলা হিসাবে। প্রতিবাদ, আন্দোলন, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী একটা বিকল্প মতাদর্শের চর্চার ক্ষেত্র, সংস্কৃতি , প্রতিবাদী রাজনীতির যৌথ রাজনৈতিক মঞ্চ, বিপ্লবীদের আতুর ঘর হলো চন্দননগরের আরেক পরিচয়।

১৯০৫ এর বঙ্গভঙ্গ চলাকালীন সময় কানাইলাল দত্ত সেই সময় চন্দননগরে একদম সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

গোন্দলপাড়া বিপ্লবী দল সহ সেই সময়কালে তিনি অনুশীলন সমিতি থেকে যুগান্তর দল সমস্ত কিছুর সাথে যুক্ত হয়েছিলেন এবং হেমচন্দ্র ছিলেন তার বিপ্লবের অভিভাবক। ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে হত্যা করার চেষ্টায় পরবর্তীকালে প্রায় 33 জন বাঙালি বিপ্লবীকে ব্রিটিশ পুলিশ গ্রেপ্তার করে তার মধ্যে কানাইলাল ছিলেন অন্যতম। ১৯০৮ সালের ২রা মে তিনি গ্রেপ্তার হন। বাংলা এবং বিহারের বিভিন্ন অঞ্চলে রেড করা হয় ব্রিটিশ পুলিশদের দ্বারা এবং সেই সময়ে বহু বিপ্লবী গ্রেপ্তার হয়। মুরারিপুকুর লেনের বোমা কারখানা তৈরি হয়েছিল এবং বারীন ঘোষের বাগান বাড়ি অঞ্চলে তল্লাশি হয় এবং বারিন ঘোষ,উল্লাসকর দত্ত, ইন্দু ভূষণ রায় সহ অনেক বিপ্লবীরা সেই সময় গ্রেপ্তার হন। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তার হন নরেন গোঁসাই যিনি একজন ডিটেইনি, অ্যাপ্রুভারের কাজ করতেন।চন্দননগর স্টেশনে যে গভর্নরের ট্রেনের বিস্ফোরণ ঘটানোর চক্রান্ত ছিল এই পরিকল্পনার সাথে যুক্ত সমস্ত বিপ্লবীদের নাম তিনি বলে দেন। সেই সময় চন্দননগর তৎকালীন মেয়রের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছিল এবং তার পেছনে যে বিপ্লবী চারুচন্দ্র রায়ের হাত ছিল সেই গোপন তথ্যও তিনি ফাঁস করে দেন। চন্দননগর স্টেশনে বোমা বিস্ফোরণের মূল পরিকল্পনাকারী অরবিন্দ ঘোষ, বারিন ঘোষ, উল্লাস কর দত্ত এবং শান্তি ঘোষ সহ বাকিদের নাম উল্লেখ করেন।

হেমচন্দ্র কানুঙ্গর নেতৃত্বেই বিপ্লবী বারীন ঘোষ এই আলিপুর জেলখানা থেকে বেরোনোর একটা পরিকল্পনা করেন। বাড়িন ঘোষ বেশ কিছুজনের কাছে চিঠি লেখেন এবং তার মধ্যে একজন ছিলেন সেই সময় চন্দননগরের যুগান্তর দলের সাথে জড়িত বসন্ত বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়োজনীয় বোমা, পিস্তল, বন্দুক,গুলি, বারুদ এবং তার সাথে আরও কিছু অস্ত্র এবং আরো কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেওয়ার জন্য একই সাথে তিনি শ্রীশচন্দ্র ঘোষের কাছেও চিঠি লেখেন, যিনি ছিলেন চন্দননগর গ্যাঙের অন্যতম সদস্য।

মতিলাল রায়ের সাহায্যে শ্রীশচন্দ্র ঘোষের হাত ধরে পাওয়া বন্দুক দিয়েই কানাইলাল দত্ত হত্যা করেন বিশ্বাসঘাতক নরেন গোসাইকে। বলা যায় ভারতবর্ষের বুকে প্রথম রাজনৈতিক হত্যা। এই হত্যার পরবর্তীকালে তার ফাঁসি হয় এবং এই ফাঁসির বিরুদ্ধে যখন তাকে মামলা করতে বলা হয় বা তাকে ডিফেন্স করতে বলা হয় তখন তিনি তা অস্বীকার করেন। যে ফাঁসির কথা শুনলে মানুষের শিহরণ জেগে ওঠে, মানুষ সুস্থ থাকতে পারে না, মানুষ মরার আগেই হয়তো মরে যায় সেই ফাঁসির মধ্যে যাওয়ার আগেই কানাইলাল দত্তর ওজন বেড়ে গিয়েছিল। এটা তাঁর উৎফুল্লতা তাঁর আনন্দে থাকার, তাঁর জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা, তাঁর সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আপোসহীন সংগ্রামের একটা বহিঃপ্রকাশ বলা যেতে পারে।

Sir Prafulla Chandra Roy on a letter commented that Kanailal taught the Bengalees the proper use of “shall” and “will”, pointing to his sense of English grammar. When the question of an appeal came up, Kanailal simply said, ‘There shall be no appeal’. It was the use of “shall” in the imperative.

Kanailal’s statement to the District Magistrate about his motive for assassinating Naren was touchingly direct and simple:

“I wish to state that I did kill him. I do not wish to give any statement why I killed him. Wait, I do wish to give a reason. It was because he was a traitor to his country.”

An account of a Jail Warden: Charu Chandra Roy recalled the account of a British jail warden, who, on 9 November 1908, a day before the day of hanging, saw Kanailal smiling, and said, “You are smiling now, but tomorrow morning all the smiles will disappear from your lips.” The next day when Kanailal was brought to the gallows he saw the warden, and asked him smilingly, “How do you find me now?” The warden had no answer. Later, the warden told Charu Chandra Roy, “I am the sinner who has executed Kanailal. If you have a hundred men like him, your aim will be fulfilled

লর্ড হার্ডিংসকে হত্যা করার যে পরিকল্পনা, দিল্লি লাহোর কন্সপিরেসির মাস্টারমাইন্ড ছিলেন রাসবিহারী বোস ও বসন্তকুমার বসু এবং এই পরিকল্পনার অন্যতম কান্ডারী ছিলেন শ্রীশচন্দ্র ঘোষ যার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন মনীন্দ্রচন্দ্র নায়েক। (মনিন্দ্রচন্দ্র নায়ক ছিলেন চন্দননগরের প্রথম সাইন্স গ্র্যাজুয়েট) হার্ডিঞ্জকে হত্যা করার জন্য যে বোমাটি বানানো হয় সেই বোমা প্রস্তুত করেন মনিন্দ্র চন্দ্র নায়েক। যে তিনজন পৃষ্ঠপোষকের নাম এই মুহূর্তে করলাম তারা প্রত্যেকেই ছিলেন সেই সময়ের তৎকালীন চন্দননগর গ্যাঙের অন্যতম প্রধান বিপ্লবী। চন্দননগরের ইতিহাস ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রাম, বিপ্লব- বিদ্রোহ , সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার ইতিহাসের সাথে সম্পৃক্ত । মতিলাল রায়, শ্রীশচন্দ্র ঘোষদের প্রবর্তক সঙ্ঘ ছিল অগ্নিযুগের অন্যতম পথ প্রদর্শক ।গান্ধী,অরবিন্দ ঘোষরা প্রবর্তকে এসেছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামের কাজে।

জালালাবাদ পাহাড়ের যুদ্ধে হিমাংশু সেন আহত হওয়ার কারণে তাকে নিয়ে অনন্ত সিং, আনন্দ গুপ্ত ,গনেশ ঘোষ, জীবনলাল ঘোষালসহ প্রমুখ বিপ্লবীরা নিরাপদ স্থানে যান তারপর সবকিছু ঠিক হবার পরও সেই জালালাবাদ রেবেল গ্রুপের সাথে অর্থাৎ বিপ্লবী দলটির সাথে তারা যুক্ত হতে পারেননি যোগাযোগের সমস্যার জন্য। তারপর তারা কলকাতাগামী ট্রেনে রওনা হন এবং ফেনি স্টেশনে ব্রিটিশ পুলিশদেরকে ফাঁকি দিয়ে বিপ্লবী অনন্ত সিং, আনন্দ গুপ্ত, জীবনলাল ঘোষাল ওখান থেকে পালাতে সফল হন। তারপর তারা ভূপেন্দ্রকুমার দত্তের বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং তারপরে চন্দননগরের বীর বিপ্লবী বসন্ত বিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাদের থাকার নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন চন্দননগরে। পয়লা সেপ্টেম্বর 1930 চার্লসের নেতৃত্বে একটা বিরাট পুলিশ বাহিনী সেই বাড়ির দখল নেয় যেখানে জীবনলাল ঘোষাল, লোকনাথ বল, অনন্ত সিং এবং গণেশ ঘোষ প্রমুখ বিপ্লবীরা আশ্রয় পেয়েছিলেন এবং জীবন লালকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

তৎকালীন চন্দননগরের মেয়র বিপ্লবের শিক্ষক চারুচন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে মিছিল বেরোয় মাখনলাল এর শব দেহকে নিয়ে এবং বোড়াই চন্ডীতলা শ্মশানের তার মৃতদেহ সৎকার হয়। সারা চন্দননগরে জীবনলাল খুবই সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কাটিয়েছিলেন কিন্তু এত স্বল্প সময় হলেও চন্দননগরের মানুষ তাকে এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই আপন করে নিয়েছিল। তিনি ছিলেন বিপ্লব তীর্থ চন্দননগরের কাছে বিপ্লবের অতিথি। মাখনলাল যার রক্তের দাগ আজও মিশে আছে চন্দননগরের মাটিতে এবং চন্দননগরের ছাত্র যুব, বর্তমান চন্দননগরের যারা মুক্তিকামী মানুষদের পক্ষে লড়াই করছে তাদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থেকে গেছে মাখনলাল।

চন্দননগর শুধু আলো ,জলভরা সন্দেশ, মৃত্যুঞ্জয়, সূর্য মোদক, বাবা পঞ্চানন বা স্ট্রান্ড এর শহর নয় তার সাথে ইস্পাতের মতো সংগঠনও আছে।
অতীত গৌরবের কথা এতক্ষণ হল। কিন্তু এই চন্দনগর শহর একটি পুরোনো কর্পোরেশন অঞ্চল। বর্তমান অবস্থায় এই অঞ্চলের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থার অত্যন্ত খারাপ। ঐতিহাসিক ডুপ্লে কলেজ, (চন্দননগর গর্ভমেন্ট কলেজ) যে কলেজ ২৩ বছর বন্ধ ছিল এই ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য সেই গর্ভমেন্ট কলেজ পরিকাঠামোগত ভাবে শক্তিশালী হলেও তাতে দিনের পর দিন ইউনিয়ন ইলেকশন বন্ধ। শিক্ষা, চেতনা, মুক্তি, মূল্যবোধের পরিবর্তে অন্যায় অপরাধ মনস্কতার চাষ সমাজবিরোধী, কাটমানি, তোলাবাজি ধান্দার রাজনীতি লুঠতরাজের সংস্কৃতির, বিরাজনীতি- রাজনীতির চাষের আঁতুঘর হয়ে উঠছে গর্ভমেন্ট কলেজ। গণতান্ত্রিক পরিসর, যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের উপর একটা কলেজ দাঁড়িয়ে থাকে সেটা আজকে ক্ষতিগ্রস্ত। যে গর্ভমেন্ট কলেজ চন্দননগরকে বিপ্লব তীর্থ করে তুলেছিল, যে চন্দননগর স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী চারুচন্দ্র রায়ের মতো বিপ্লবীকে অধ্যক্ষ করেছিল সেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতার শিকার ছাত্র ছাত্রীরা।

ভারতবর্ষের প্রথম লিজিয়ান দো অনার দুর্গাচন রক্ষীদের নামে রক্ষিত স্কুল, বীর বিপ্লবী শহীদ কানাইলালের নামে কানাইলাল স্কুল, মেয়েদের কৃষ্ণভাবনী স্কুল এই কর্পোরেশন স্কুল গুলোর যে পড়াশোনার চর্চা, যে মেধার চর্চা হতো তার গুরুত্ব দিনের পর দিন কমছে। যেহেতু সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার গোটাটাই বেহাল দশায় এবং তার প্রভাব এখানেও এসে পৌঁছেছে।

চন্দননগরের গোদোলপাড়া জুট মিল, সেই জুট মিলের শ্রমিক মহল্লাতে হাসি নেই, সেই শ্রমিক মহল্লার শ্রমিকেরা এখনও আধা পেটে ঘুমোতে যায়, তাদের কাছে এখনো পূর্ণিমার চাঁদ ঝলসানো রুটির মতই লাগে।

অসংখ্য বহুজাতিক কোম্পানি থেকে শুরু করে অনেক কিছুই বিশ্বায়নের প্রভাবে এসেছে চন্দননগরে, কিন্তু তার মাঝে হারিয়ে গেছে পুরনো সেই বাড়ির ছাঁচ, সেই আদলের বাড়িগুলো দিনের পর দিন বিক্রি হচ্ছে প্রোমোটার সর্বগ্রাসী মনোবৃত্তির কাছে। প্রোমোটারির কাছে বিক্রি হচ্ছে চন্দননগরের মাঠ, পুকুর, আর আমবাগান । তবুও পুরনো চন্দননগরের ইতিহাস আজও অমলিন, নানা বদলে যাওয়া সময়ের অভিজ্ঞতাকে সঙ্গী করেই নতুন আহ্বান জানাচ্ছে বিপ্লব তীর্থ চন্দননগর। ভালোবাসা, বিপ্লব আর সংস্কৃতির শহরকে নতুন করে গড়ে নিতে প্রস্তুত চন্দননগরের আগামী প্রজন্ম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *